A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/ea-php73/ci_sessionfdf25170b136de40cd9111b9c058bf0322a80988): failed to open stream: No space left on device

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 174

Backtrace:

File: /home/xpress24/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php73)

Filename: Session/Session.php

Line Number: 143

Backtrace:

File: /home/xpress24/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে পাবনা জেলা
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১



 নিজস্ব প্রতিবেদক

Shares: 1187

আপডেট: ২০২০-০৬-১০





অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে পাবনা জেলা

অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে পাবনা জেলা ছবি: সোহাগ।

পাবনা জেলার, বেড়া থানার যমুনা নদীতে অবৈধ ভাবে বালি তুলে বালি ব্যাবসা যেন হয়ে উঠেছে কোটি কোটি টাকার কালো টাকা সাদা করার প্রান কেন্দ্র। এই অবৈধ ভাবে বালি উত্তলনের ফলে হুমকির মুখে আছে সরকারের নদীর পশ্চিম পাশের পায়না, মোহনগঞ্জ, পেচাকোলা, নাকালিয়া, হরিরামপুর, আউয়াল বাধ, সুইসগেট তীর সংরক্ষণ প্রকল্প। যে প্রকল্পে ব্যায় হয়েছিল প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা। হুমকির 

মুখে আছে পশ্চিমপাড়ে হাজার হাজার জনপদ ও ঐতিহ্যবাহী নাকালিয়া বাজার যে বাজার থেকে সরকার প্রতিবছর ইজারা পাচ্ছে অর্ধ কোটির ও বেশি। 
 
এছাড়াও হুমকির মুখে আছে পূর্ব পাশের চর নাকালিয়া, চরসাড়াশিয়া, হরিরামপুর, বেঙালিয়া,সাফুল্লা ইত্যাদি অঞ্চলের হাজার হাজার একর আবাদি জমি প্রায় ৩০০০-৫০০০ বসতবাড়ি ১০০০০-১৫০০০ হাজার জনপদ। 
 
গত বছর এই দিনে নদীর পশ্চিম পাশের চর পেচাকোলা গ্রামের অধিকাংশ নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। স্কুল, মাদ্রাসা, করবস্থান,মসজিদ হাজার হাজার বিঘা আবাদি জমি প্রায় ১০০০-১৫০০ বসতবাড়ি ৫০০০-৬০০০ মানুষ গৃহহীন হয়েছে এই অবৈধ ভাবে বালি কাটার কারনে।         
 
তেমনি নদীর পূূর্ব পাশের দক্ষিন চরপেচাকোলা কিছুটা বিলিন হয়েছে নদীতে শুধু এই অবৈধভাবে বালি উত্তললের জন্যে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রয় ৫০০-১০০০ বিঘা আবাদি জমি ও ১০০-২০০ বসতবাড়ি। 
 
বিগত বছরগুলোতে বেশ কয়েবার এই নিয়ে আন্দোলন বেশ কয়েক বার প্রতিবেদন হয়েছে। এর ফলে বেশ কয়েক বার প্রশাসন এক প্রকার বাধ্যতামূলক ভাবে লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েটি ড্রেজার পুরিয়ে দিয়েছে। তার কারনে যা দেখা গেছে তা হল কিছুদিন বালি উত্তলন বন্ধ থাকলেও তা আবার পূনরায় আবার চালু হয়েছে।
 
এই অবৈধভাবে বালি উত্তলন এর ফলে ইতিমধ্যে পেচাকোলার কিছু কিছু যায়গাতে নদী তীর সংরক্ষণ বাধের কিছু কিছু জায়গায় ফাটল ও ধস নেমেছে এই নিয়ে কিছু দিন আগে মাছরাঙা টিভিতে একটি প্রতিবেদন হয়েছিল। তারপরে প্রশাসন বাধ্য হয়ে একটি ড্রেজার পুরিয়ে দিয়েছিল। সে করনে তখন কয়েক দিন বালি উত্তলন বন্ধ ছিল। তারপর ১৫-২০ দিন পর আবার শুরু হয় এই অবৈধভাবে বালি উত্তলন। 
 
যে সময়ে করোনা মহামারীতে সাড়া বিশ্ব হীমসীম খাচ্ছে এর মধ্যেও থেমে নাই বালুদস্যুদের অবৈধ বালির ব্যাবসা। বড় বড় অর্থনৈতিবীদরা আশংকা করছে করোনা সংকট কাটিয়ে উঠার আগে বিশ্বদেখবে এক বড় ধরনের দূর্ভিক্ষ। 
 
এমতাবস্থায় এই বালুদস্যুদের দমাতে না পাড়লে অবস্থা ভয়াবহ আকার ধারন করবে।     
 
কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষের কাছে হাজার হাজার মানুষ আজ জিম্মি হয়ে আছে। হাজার হাজার মানুষকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকার পাহার গড়ছে তারা। 
 
অবৈধভাবে এই বালি উত্তলন গতমাস থেকে যেন এরা আরো হাত ঘাত বেধে নেমেছে। প্রতি দিনিই চরনাকালিয়া, হরিরামপুর মৌজার গাঘেষে দুই তিন টা ড্রেজার মেশিন দিয়ে অনবরত বালি উত্তলন করা হচ্ছে।আর এই বালির প্রতি সি এফ টি বিক্রি হচ্ছে ৪.৫ টাকা থেকে শুরু করে ১০ টাকা ১২ টাকায়। 
 
এ বিষয়ে ড্রেজার মালিক নূর উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, " এই বালি কাটা অনেক কঠিন ব্যাপার গো ভাই এর আগে অনেক গুলো মেশিন প্রশাসন পুরিয়ে দিয়েছে এই মেশিন বানাছি এখন বসিয়ে রাখলে তো লস তাই স্থানীয় মাস্তান সাহাদত,ফজর সাথে নিয়ে  এই ব্যাবসা করি। আবার প্রসাশন, থানা-পুলিশ স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের ও সাংবাদিকদের  দিয়ে আমার ৫০ পয়াশা করে পার সি এফ টি তে বাচেঁ"।     
 
এদিকে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দুইজনের কথা বলা হয়েছিলো তার মধ্যে হুমায়ন কবির বলেন এর আগে আমরা এর আগে বহুবার আন্দোলন করেছি তারপর কিছু দিন বন্ধ থেকে তার পর আবার চালু হয়। কিছু দিন আগে আমাদের এলাকায় জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ অনেক বড় বড় কর্মকর্তা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বেড়া উপজেলার মাঠ দিবস পালন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিলে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকের কাছে জোর দাবি করলে তিনি সেই মুহূর্তে সকলের সন্মুখে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আদেশ করে যান যে এই নদীতে যেন আর বালি তোলা না হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সে সময় বলেন আমিতো সব সয়ম নজর রাখি। এখন আরো বেশি করে রাখবো। এলাকাবাসী আমাদের ফোন করলে আমরা সাথে সাথে ব্যাবস্থা নিব। এসব আসলে লোক দেখানো আমরা সব বুঝি আমাদেরকে  সান্তনা দেয় যে বন্ধ হবে আসলে হয় না"।  আর একজন ইমদাদ আলী বলেন, "আমি গত মাসেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে ফোন করে অভিযোগ করি সে আমায় ফোনে বললো যে আমি দেখছি কি করতে পারি আমি যে দিন ফন করেছিলাম সে দিন একটা মেশিন ছিল তার পরদিন দেখি দুইটা মেশিন দিয়ে বালি তুলা হচ্ছে প্রসাশন তাদের নিষেধ করলো না কি বললো যে নির্ভয়ে কাটো সেটা বুঝতে পারলাম না"।     
 
এলাকাবাসীরা বলছে প্রশাসন যা করে তা শুধুমাত্র লোক দেখানো ও দায় সাড়ানো কাজ। তারই আবার তলে তলে বালুদস্যুদের সাহস দেয়। তারাই আবার বালুদস্যুদের থেকে টাকা নেয়।আমারা কি এই দেশের জনগন না যে প্রশাসনের আমাদের সাথে প্রহশন করে।
 
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলেল তিনি বলেন, "আমরা এই বালি উত্তলনে ব্যাপারে কখনো কাউকে ছাড় দেই নাই ভবিষ্যতেও দিব না।এই মহামারীর কারনে আমাদের অনেক ব্যাস্ত থাকতে হয় তাই একটু সুযোগ পাচ্ছে।আমরা বরাবর এর মত অভিযান চালিয়ে যাবো"।