A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/ea-php73/ci_session61c6162730820db79be71852e2a0f7fe4f751a51): failed to open stream: No space left on device

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 174

Backtrace:

File: /home/xpress24/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php73)

Filename: Session/Session.php

Line Number: 143

Backtrace:

File: /home/xpress24/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

মানহীন পেঁয়াজ আমদানি করে বিপাকে ব্যবসায়ীরা
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১



 খুলনা প্রতিনিধি

Shares: 157

আপডেট: ২০২০-১১-২২





মানহীন পেঁয়াজ আমদানি করে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

মানহীন পেঁয়াজ আমদানি করে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

মানহীন ও চাহিদার অতিরিক্ত পেঁয়াজ আমদানি করে বেকায়দার দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা। খাতুনগঞ্জের বিভিন্ন আড়তে পেঁয়াজের মজুদ গড়ে উঠেছে।

আগের মতো চাহিদা না থাকায় বস্তায় বস্তায় পেঁয়াজ নষ্ট হচ্ছে। পচা পেঁয়াজ ফেলা হচ্ছে কর্ণফুলীতে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য ৫০ টাকার বেশি পড়লেও পাইকারি বাজারে সেই দামে বিক্রি হচ্ছে না।

দিনের পর দিন পড়ে থাকার কারণে মানহীন পেঁয়াজে গজাচ্ছে অঙ্কুর। ফলে আমদানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এদিকে জানুয়ারিতে টিসিবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কিনে নেবে।

শুক্রবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এএইচএম সফিকুজ্জামান খাতুন চাক্তাই পরিদর্শনে এলে ব্যবসায়ীদের এ আশ্বাস দেন।

চাক্তাই-খাতুনঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, পেঁয়াজের সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে গত কয়েক মাসে হাজার হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে চীন, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও তুরস্ক থেকে।

চায়না থেকে আমদানি করা বেশিরভাগ পেঁয়াজই নিম্নমানের। চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত আমদানির ফলে গুদাম এবং আড়তে হাজার হাজার বস্তা পেঁয়াজের মজুদ গড়ে ওঠে। তাছাড় মানহীন পচা পেঁয়াজও আমদানি হয়ে এসেছে জাহাজ ভর্তি হয়ে।

এর ফলে নষ্ট পেঁয়াজে এখন বাজার সয়লাব। দেশীয় ভালোমানের পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হলেও আমদানিকৃত মানহীন পেঁয়াজের মূল্য ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা বলছেন, গত ৪ মাসে মিয়ানমার, চীন, পাকিস্তান, মিসর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ৩৯ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে আরও অন্তত ১০ হাজার টন পেঁয়াজ। বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে ১ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

এর ফলে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ জাহাজের কনটেইনারেই নষ্ট হয়ে যায়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনারে আমদানি করা পেঁয়াজ অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় ডগা গজিয়ে যায়। আবার সাধারণ কনটেইনারে আমদানি করা পেঁয়াজ পচে যায়।

উভয় সংকটের কারণে এবার পেঁয়াজ আমদানিকারকরা বড় অঙ্কের লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছেন। প্রতিদিনই পচা পেঁয়াজ এখন খাতুনগঞ্জ-চাক্তাইয়ের আড়ত থেকে বের হচ্ছে।

সরেজমিন কর্ণফুলী এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, চাক্তাই খালের পাড়ে এবং কর্ণফুলীর তীরে রাতের অন্ধকারে কে বা কারা বস্তা বস্তা পচা পেঁয়াজ ফেলে দিয়ে গেছে।

পেঁয়াজগুলো আকারে ছোট। ফেলে দেয়া পচা পেঁয়াজের বস্তা থেকে নিম্ন আয়ের মানুষ খাওয়ার উপযোগী পেঁয়াজ বেছে নিচ্ছেন। আবার অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ নষ্ট ও নিম্নমানের পেঁয়াজগুলো ভ্যানগাড়িতে করে বিভিন্ন বাজার ও রাস্তাঘাটে বিক্রি করছেন।

ভ্যানগাড়িতে পেঁয়াজ বিক্রেতারা বস্তা প্রতি ২০০-৩০০ টাকায় কিনে বিক্রি করছেন। একটি পচা পেঁয়াজের বস্তা থেকে ১০ থেকে ১২ কেজি মোটামুটি খাবার উপযোগী পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। 

১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদফতর পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধের ঘোষণা দিয়ে চিঠি ইস্যু করে। চিঠিতে বলা হয়, কাটা, টুকরা ও গুঁড়া সব ধরনের পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ এবং এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এরপর পর হু হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। এর আগে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। সেই সময় দুই দফায় পেঁয়াজের দাম বেড়ে ডাবল সেঞ্চুরি পেরিয়ে যায়।

পরে পেঁয়াজ আমদানিকারকরা মিয়ানমার, চীন, মিসর, পাকিস্তান, তুরস্কের মতো দেশগুলো থেকে পেঁয়াজ এনে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন।

খাতুনগঞ্জ হামিদ উল্যাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস যুগান্তরকে বলেন, পেঁয়াজ আমদানিতে কেজিতে খরচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মান নষ্ট ও পচে যাওয়ায় সেসব পেঁয়াজ পাইকারিতে বিক্রি করতে হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়।

চাহিদার অতিরিক্ত পেঁয়াজ আমদানি করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া ৪ মাসে মিয়ানমার, চীন, পাকিস্তান, মিসর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ৩৯ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

আরও পেঁয়াজ খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। অধিক মুনাফার আশায় গণহারে পেঁয়াজ আমদানি করায় সবাই এখন বিপাকে পড়েছেন।