মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২১



 অনলাইন ডেস্ক

Shares: 119

আপডেট: ২০২১-০১-০৩





বাদী নারাজি না দিলে ১০ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন

বাদী নারাজি না দিলে ১০ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গ্রহণের প্রথম শুনানি হয়েছে। শুনানিতে আসামিপক্ষ আপত্তি জানানোয় ১০ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়।

আজ রোববার সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহিতুল হক চৌধুরী পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন। এই মামলার আটজন আসামির উপস্থিতিতে প্রথম শুনানি চলাকালে অভিযোগপত্র নিয়ে আসামিপক্ষ থেকে আপত্তি তোলা হয়। পরবর্তী শুনানির জন্য তারিখ ১০ জানুয়ারি ধার্য করেন বিচারক। ১০ জানুয়ারি মামলার বাদীপক্ষ অভিযোগপত্রের ওপর নারাজি না দিলে আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে ধর্ষণকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর কথা রয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি রাশিদা সাঈদা খানম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি  বলেন, অভিযোগপত্র আদালতে গ্রহণ করা নিয়ে প্রথম শুনানির তারিখ নির্ধারিত ছিল আজ। আট আসামির পক্ষ থেকে অভিযোগপত্র নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। এক আসামির পক্ষ থেকে জামিন আবেদনও করা হয়। আদালত তা নাকচ করে ১০ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। মামলার বাদীপক্ষ এ সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র পর্যালোচনা করবে। তাদের নারাজি না থাকলে অভিযোগ গঠন করা হবে।

আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে (২০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী বাদী হয়ে মহানগর পুলিশের শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে ছয় আসামি ও সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ও র‌্যাব। গ্রেপ্তারের পর তাঁদের প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। সবাই দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

গত ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের আট নেতা-কর্মীকে অভিযুক্ত করে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আসামি রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আট আসামিই বর্তমানে কারাগারে আছেন।