মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২১



 নিউজ ডেক্স

Shares: 160

আপডেট: ২০২১-০৪-২০





অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ উৎপাদন কারখানায় অভিযান

অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ উৎপাদন কারখানায় অভিযান পাবনা কৃঞ্চপুরে অভিযান

পাবনা শহরে অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় ওই কারখানা মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও তাকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদন্ড ও জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়ার নির্দেশ দেন।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে শহরের কৃঞ্চপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ওই কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক সিরাপ, লজেন্স এবং এসব তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়।

পাবনা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আব্দুল হান্নান জানান, শহরের কৃঞ্চপুরে মৃত আক্কাস আলীর ছেলে ইমরুল কায়েস (৪০) দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে কারখানা স্থাপন করে অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ ও লজেন্স তৈরি করছিলেন। এসব অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ পাবনা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বাজারজাত করছিলেন।

শুধু এরাই না ইতিমধ্যেই আমরা আরো এমন ধরনের একটি কারখানার খবর পেয়েছি, যারা বিএসটিআইয়ের ফ্রুটস সিরাপের বিডিএস নং নিয়ে যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরি করে আসছেন। শহরের আফুরিয়াতে অবস্থিত ফাষ্ট ফিলিংস নামের একটি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানা গুলিতে বিশেষ নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে।

রুহ আফজার মতো পানীয় তৈরির অনুমোদন নিয়ে কি করে এমন সিরাপ তৈরি করেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খানের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ওই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই কারখানার মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড এবং জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত কারখানাটি সিলগালা করে দেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম। এসময় পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, জেলা পুলিশের উদ্যোগে শহরকে সব ধরনের মাদক, অপরাধ ও সন্ত্রাসমুক্ত করার কর্মসুচির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সচেতন পাবনাবাসীর দাবী এ ধরনের অভিযান চালানো উচিত প্রশাসনের। কেননা এই সিরাপ অত্যান্ত ক্ষতিকর। পাশাপাশি এ ধরনের সিরাপ বাজারে থাকায় বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজও বেশি হচ্ছে।