A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/ea-php73/ci_sessionf4a3bf272438c5b50f034c43fc4f67e8b964f224): failed to open stream: No space left on device

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 174

Backtrace:

File: /home/xpress24/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php73)

Filename: Session/Session.php

Line Number: 143

Backtrace:

File: /home/xpress24/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

বিক্রির আশা ছেড়ে মিষ্টিকুমড়া সংরক্ষণ করছে কৃষকরা
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১



 অনলাইন ডেস্ক

Shares: 119

আপডেট: ২০২১-০৬-০৯





আকারে ছোট ও বিকৃত হওয়ায় দাম কম। বীজ সংরক্ষণ করে রাখলে সে তুলনায় বেশি দাম মিলতে পারে

বিক্রির আশা ছেড়ে মিষ্টিকুমড়া সংরক্ষণ করছে কৃষকরা

বিক্রির আশা ছেড়ে মিষ্টিকুমড়া সংরক্ষণ করছে কৃষকরা মিষ্টিকুমড়া সংরক্ষণ

কয়েক বছর ধরে ঠাকুরগাঁওয়ের চাষিদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে মিষ্টিকুমড়া। অন্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় অনেক চাষি ঝুঁকেছিলেন এ সবজির চাষে। কিন্তু ফলন ভালো হলেও আকার ছিল ছোট। ফলে তা কিনতে আগ্রহ হারান ব্যবসায়ীরা। দামও যায় কমে।

এ বছরও এই সবজির দাম কম থাকায় বিক্রি না করে বীজ সংরক্ষণ করছেন চাষিরা। তাঁরা বলছেন, পুরো মিষ্টিকুমড়ার চেয়ে এখন বীজের দাম বেশি মিলছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঠাকুরগাঁও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় ১ হাজার ১০৫ হেক্টর জমিতে খরিপ-১ মৌসুমের মিষ্টিকুমড়ার চাষ হয়েছে। রবি মৌসুমে চাষ হয়েছে ৯৫০ হেক্টরে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে চারা রোপণের পর এপ্রিল-মে মাসে মিষ্টিকুমড়া বিক্রি করতে শুরু করেন চাষিরা। কিন্তু চাষের সময় পরিমাণমতো বৃষ্টি না হওয়ায় ফল ছোট ও বিকৃত হয়ে যায়।

গতকাল মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার ভুল্লি, সিঙ্গিয়া, বালিয়া, আউলিয়াপুর, ঢোলারহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশে মিষ্টিকুমড়া স্তূপ করে রেখেছেন চাষিরা। শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে পচন ধরা কুমড়া বেছে ফেলে দেওয়া হচ্ছিল। বড়বালিয়া গ্রামের মিষ্টিকুমড়াচাষি ইলিয়াস উদ্দিন (৪৬) বলেন, এখন কুমড়ার দাম একেবারেই নেই। রেখে দিয়ে পরে যে বিক্রি করবেন, সে উপায়ও নেই। রেখে দেওয়ায় পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কিছুদিন আগে বাজারে প্রতি মণ মিষ্টিকুমড়ার দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ছিল। কিন্তু এখন ছোট আকারের প্রতি মণ মিষ্টিকুমড়া ৮০ থেকে ১০০ ও বড় আকারের কুমড়া ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সিঙ্গিয়া গ্রামের চাষি হাবিব মোহাম্মদ আহসানুল রহমান (৫০) বলেন, এ দরে বিক্রি করলে লোকসান হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ঠাকুরগাঁও কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু হোসেন বলেন, অনেক চাষি বীজ বিক্রির জন্য শুকিয়ে রাখছেন। তবে যাঁরা হাইব্রিড জাতের কুমড়ার আবাদ করেছেন, তাঁরা এ কাজ করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে পারেন।